Category Archives: পথশিশু খবর

ঈদ উৎযাপন

ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি।

IMG_2387
ঈদের এই আনন্দকে স্বেচ্ছাসেবী এবং পথশিশুরা মিলেমিশে ভাগাভাগি করে নিয়েছি বলেই বোধহয় আরো বেশী আনন্দ পেয়েছি।

শুরুতেই স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় সদরঘাট, কমলাপুর, গাবতলি, কারওয়ানবাজার, নিউমার্কেট থেকে এক এক দল করে শিশুরা উৎসবস্থলে আসতে শুরু করে। পরিবারে থাকা ছোট ছোট শিশুরা তো ঈদের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে গোসল করে নতুন জামা পরে ঘুরে বেড়ায়। তাহলে কেনই বা পথশিশুরা বাদ যাবে? তাই উৎসবস্থলে আসা শিশুদের চুলকাটা, গোসল করিয়ে নতুন জুতা, জামা, প্যান্ট প্রদান করা হয়েছিলো। নতুন নতুন সবকিছু দেখে মনে হচ্ছিলো যেন ফেরেশতা আর পরীদের মিলনমেলা! কি মায়া শিশুদের চোখে মুখে। তারপর একসাথে সবাই মিলে সকালের খাবার পর্বের সূচনা হয়! পরবর্তীতে শিশুদের আনন্দদানের জন্য একটু খেলাধূলার ব্যবস্থা করা হয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব বাসভবনে শিশুরা তাঁর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। পথশিশুদের জন্য সত্যিই তা বড় পাওয়া। এই প্রথম টেলিভিশনের বাইরে সরাসরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দেখা! একটু বেশীই চমকপ্রদ ব্যাপার ছিলো পথশিশুদের জন্য।

শুধু কি এইটুকুতেই উৎসব শেষ হয়েছে? নাহ! যে পথশিশুরা এসেছিলো তাদের দিনটিকে আরও রঙ্গিন করে তুলতে শিশুমেলায় প্রত্যেকের চারটি করে রাইডে চড়ার সুযোগ ছিলো! শিশুদের সে কি উচ্ছ্বাস! দেখেই হৃদয় জুড়িয়ে যায়। এতো রোদ আইসক্রিম না খেলে কি হয়! তাই একসাথে সবাই মিলে আইসক্রিম খাওয়া হলো। এরপর শিশুমেলা থেকে সেন্ট জোসেফ স্কুল ছোট্ট একটি র‍্যালি করে শিশুরা তাদের উপস্থিতি জানান দিল।
অনেক তো খেলাধূলা আর ঘুরাফেরা হলো। এবার ক্ষুধায় যে পেট চোঁ চোঁ করছে। অতঃপর সবাই মিলে দুপুরের ভোজন পর্বের সমাপ্তি হলো।

ঈদ আনন্দ
ঈদ আনন্দ

শিশুরা চিরকাল জাদু দেখে বিস্মিত হয়। তাই তাদের জন্য জাদু দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। তারপর গান,ছড়া, কবিতা, গজল ও অন্যান্য পরিবেশনা দিয়ে সাজানো হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্ব। সবশেষে এবার বিদায়ের পালা। তাই শিশুদের হাতে ছোট্ট উপহার দিয়ে নিজ নিজ জায়গায় পৌঁছে দেয়া হয়।

ঈদ আনন্দ
ঈদ আনন্দ

এভাবেই একটি চমৎকার আর মনে রাখার মতো চমৎকার একটা ঈদ উৎসবের সমাপ্তি হল। কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসা সেন্ট জোসেফ স্কুল কর্তৃপক্ষ, শিশুমেলা কর্তৃপক্ষ ও জাদুকর উলফাত কবির সাহেবকে এবং সকল স্বেচ্ছাসেবীকে ঈদের দিনেও যারা পথশিশুদের সময় দিয়ে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমন্ডিত করেছেন।

ঈদ আনন্দ
ঈদ আনন্দ

ধন্যবাদ সবাইকে 🙂

পরিষ্কার – পরিচ্ছন্নতা দিবস চাই

clDay

এই দেশ আমাদের। আমরা এই সবুজ, শ্যামল দেশকে অনেক ভালোবাসী।
অথচ আমাদের সামান্য অসর্তকতা আর অবহেলা প্রতিনিয়ত আমাদের দেশের সৌন্দর্যকে বিনষ্ট করছে।

আমরা আমাদের দেশকে পরিস্কার – পরিচ্ছন্ন রাখতে চাই এবং যেখানে সেখানে ময়লা ফেলবো না এই সচেতনতা চতুর্দিকে ছড়িয়ে দিতে চাই। আমাদের কাওরানবাজারের পথশিশুরা চমৎকার সব স্লোগান নিয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দিচ্ছে। চলুন না আমরাও প্রত্যেকেই এই শিশুদের সাথে একাত্বতা পোষণ করে আমাদের পরিবেশকে সুন্দর রাখি।

Happy new year 2016

Ug7yo4N

প্রাপ্তি- অপ্রাপ্তি মিলিয়ে জীবনের ডায়েরী থেকে আরো একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো। নতুন বছরে পদার্পন করলো সময়। সফলতা কিছু ছিলো আমাদের। তবে আমরা প্রত্যাশাকে স্পর্শ করতে পারিনি। পথশিশু মুক্ত হয়নি দেশ। কিছু ব্যর্থতাও ছিলো আমাদের। তবে আমরা হতাশ নই! আমরা নতুন স্বপ্ন নির্মাণে আগ্রহী। পথশিশুদের দুঃখ, কষ্ট আর হতাশার গল্পগুলোর ধরণ হয়তো কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে তবে কমেনি। গত বছর শিশু নির্যাতন, নিপীড়নের হার ছিলো ভয়ানক। শিশু হত্যার হারও ছিলো আতঙ্ক জনক। আঁতকে উঠার মত বিষয় ছিলো নির্যাতনের পদ্ধতি। তবে বেশ কিছু হত্যার বিচারের রায়ও এসেছে গতবছর! তবে অপরাধ উৎপাদনের পদ্ধতি রোধ করে তারপর ন্যায় বিচার কার্যকর হলে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল ছিলো। সুতরাং আমরা চাই আগামী প্রজন্ম অপরাধমুক্ত হয়ে গড়ে উঠুক।

IMG_4299l

বছরের প্রথম দিনে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি আমাদের সকল শুভাকাঙ্খী, স্বেচ্ছাসেবী সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে গত বছর যারা আমাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন। আশা করি আপনারা আগামীতেও আমাদের সাথে থেকেই পথশিশুদের সুন্দর আগামী নির্মাণের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবেন। কোন শিশুর ঠিকানা যেন পথ না হয়! আমরা প্রভাতের সোনালী উদীয়মান সূর্যের মতো আবারো পথশিশুদের নিয়ে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে উদীত হওয়ার স্বপ্ন দেখি। তাই সহনশীলতা, ন্যায্যতা, ভালোবাসা, সম্প্রীতি, আদর, স্নেহ ছড়িয়ে দিয়ে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে একটি সুন্দর আগামী গড়ে তোলার প্রত্যাশা রাখি। আমরা এবার পথশিশুদের নিয়ে কাজের প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির সেতুবন্ধন রচনা করতে চাই। তাই আবারো সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। “Happy new year 2016 “

বড়দিনের নতুন সান্তাক্লজ

বড়দিন, নতুন সান্তাক্লজ, কিংবা নতুন গ্যান্ডালফ ও তার সংগঠন!
প্রতি বছর বড়দিন এলেই শিশুরা ভাবে সাদাদাড়ী, সাদাচুল, পুরো গায়ে লাল জামাআবৃত, লালটুপিতে, হরিণের গাড়িতে চড়ে একজন সান্তাক্লজ আসবে। সান্তাক্লজ শিশুদের জন্য মুঠো মুঠো উপহার (খেলনা, চকোলেট অন্যান্য অনেক কিছু) নিয়ে আসবে তাদের প্রতি সদয় হবে এবং ভালোবাসবে।

সান্তাক্লজ আমাদের শিশুদের জন্য শুধুমাত্র উপহার দিয়েই ক্ষান্ত হবেনা বরং মুঠো মুঠো আদর, স্নেহ আর ভালবাসা নিয়ে আসবে! না সেই রুপে শিশুদের সাথে সান্তাক্লজের আর কখনোই দেখা হয়ে উঠেনি।

বিখ্যাত পরিচালক পিটার জ্যাকশনের দুনিয়াকাঁপানো মুভি ” The Lord of the Rings ” মুক্তি পাওয়ার পর সান্তাক্লজের মতোই শিশুদের প্রতি সদয় পরায়ন গ্যান্ডালফ নামে এক মহৎ মানুষের দেখা পাওয়া গেলো।

গ্যান্ডালফ শিশুদের খুব ভালোবাসে, ন্যায় পরায়ন এবং সদা হাস্যোজ্জ্বল।
গ্যান্ডালফকে অবশ্য হরিণের পরিবর্তে ঘোড়ার গাড়িতে চড়তে দেখা গেলো। শিশুদের মানসপটে হয়তো বড়দিনের উৎসবে গ্যান্ডালফের চিত্রও ভেসে উঠে।
সাদাদাড়ি, বিশাল লম্বা মতন, লাঠি হাতে, ঘোড়ার লাগাম ধরে আসেন এই মানুষটি। চুল সাদা, পোশাক সাদা, সব সাদা এই সাদাই যেন শুভ্রতা ছড়িয়ে দেয়! গোটা জনপদের শিশুদের মনে ছড়িয়ে পড়ে শুভ্রতা সৌন্দর্য আর ভালোবাসার ছোঁয়া। শান্তির সুবাতাস বয়ে যায়। কিন্তু হায় তারপর আর দেখা মেলেনি সত্যিকার সান্তাক্লজ আর গান্ডালফের।
হঠাৎ করেই আজ থেকে সাত বছর পূর্বে বাংলাদেশে প্রায় সান্তাক্লজের মতো একজনের দেখা মেলে। আজকাল অবশ্য পরিণত সান্তাক্লজের মতই মনে হয়।

borodin2015

বেশ লম্বা, সাদাদাড়ি, সাদাচুল ঠিক গ্যান্ডালফের মতোই যেন শুভ্রতা ছড়িয়ে পড়ে।
এই সান্তাক্লজ অবশ্য শুধু বড়দিনেই নয় দরিদ্র, অসহায়, বঞ্চিত পথশিশুদের নিয়ে সারা বছরই কাজ করেন।

এই সান্তাক্লজ শুধু মাত্র উপহার দিয়েই শেষ নয় শিশুদের আনন্দ দেয়া থেকে শুরু ভালোবাসা ছড়িয়ে দেয়া, চিকিৎসা, খাদ্য, পুর্নবাসন সবদিকেই গভীর মনোযোগ।
অবশ্য ২০০৭ সালে পথশিশুদের সেবার জন্য সান্তাক্লজ একটা সংগঠনই গড়ে তোলেন।
এবার সান্তাক্লজের সহযোগিতায় ভালোবাসার পরিসর আরো বাড়ানো হলো। সময়ের পরিবর্তনে মানুষজন বাড়তে লাগলো। আদর, স্নেহ, ভালোবাসা, শুভ্রতা, শান্তি ছড়িয়ে দেয়ার পরিসর আরো বড়ো হলো।

তিরাশি বছর বয়সী এই সান্তাক্লজের বুকে ঝাপিয়ে পড়ে শিশুরা, কয়েকদিন না দেখলেই পরিচিত শিশুরা সান্তাক্লজকে খুঁজতে থাকে। সান্তাক্লজকে পেলে যেন তাদের আর খুশির অন্ত নেই। সান্তাক্লজও অদ্ভূত! শিশুদের ভালো থাকা নিয়েই তার চিন্তা – ভাবনার সকল বিনিয়োগ।

আমাদের এই সান্তাক্লজের নাম হলো লুসিও ভাই। শিশুদের সকলের খুব প্রিয় নাম হলো লুসিও ভাই। সান্তাক্লজের গড়ে তোলার সংগঠনের নাম হলো “পথশিশু সেবা সংগঠন “।
আজকের বড়দিনের এই রাতে সান্তাক্লজ এবং তার সংগঠনের সকল সদস্যদের জন্য রইলো অজস্র শুভকামনা এবং ভালোবাসা।

যাদের মেধা, শ্রমে তিলে তিলে গড়ে উঠেছে এই ভালোবাসার প্লাটফর্ম।
আমাদের সান্তাক্লজ যেন শিশুদের মধ্যে সুদীর্ঘকাল ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে পারে সেই কামনাই রইলো। দীর্ঘজীবি হোক সান্তাক্লজ এবং তার সংগঠন।
আপনিও ইচ্ছে করলে এই সান্তাক্লজের সংগঠনে যোগ দিয়ে সুবিধা বঞ্চিত, অসহায়, পথশিশুদের মধ্যে ভালোবাসা, আদর, স্নেহ, স্নিগ্ধতা, শুভ্রতা ছড়িয়ে দিতে সহযোগিতা করতে পারেন।

আজকের বড় দিনে এই প্রার্থনাই রইলো আমরা যেন একেকজন সত্যিকারের সান্তাক্লজ হয়ে উঠতে পারি।
সকল শিশুদের প্রতি সদয় হয়ে, সহনশীল হয়ে তাদেরকে ভালোবেসে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।
সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা।

লেখা : শামীম

কাঙ্খিত বিজয় কতোদূর ?

IMG_3265ed

কিছু বিজয় শোষিত, বঞ্চিত, অবহেলিত মানুষের জন্য শতাব্দীর পর শতাব্দী প্রত্যাশা আর অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে। দুর্বল জনগোষ্ঠী যে একতা, অসাম্প্রদায়িকতা আর ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিজয় অর্জন করতে পারে তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ যেন ১৬ই ডিসেম্বর।
আজ থেকে ঠিক ৪৪ বছর আগে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পরিপূর্ণ বিজয়ের মাধ্যমে দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিলো।
শোষণ, অত্যাচার আর নির্মম নির্যাতন থেকে মুক্তির আশায় তারা বুকে পাথর বেধে নেমেছিল যুদ্ধে। অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য একদল মুক্তিপাগল মুক্তিসেনার দল, স্বজন সব হারিয়েও সংগ্রামে অটল ছিলো। শুধুমাত্র ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটা স্বাধীন, সার্বভৌম, সুখী, শোষণহীন, সমৃদ্ধশালী দেশ উপহার দেয়ার জন্য।
IMG_3200
আজকে বিজয় অর্জনের এতো বছর পরও মনে হয় কিছু মানুষের জন্য এখনো অধরাই রয়ে গেল সেই কাঙ্খিত স্বাধীনতা!
অনাদর, অবহেলা, বঞ্চনা ছাড়া তাদের জীবনে প্রাপ্তি বলে তেমন কিছুই থাকেনা।
পথশিশুদের কথাই বলছিলাম।
এই পথের সম্ভাবনাময় ফুলগুলো ক্ষুধার তাড়নায় ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলে তাদের মানবিকবোধ। আর আমরা হারিয়ে ফেলি একদল সম্ভবনাময় দেশ গড়ার কারিগরদের!

একবার ভেবে দেখুন তো এই পথে আপনারও জন্ম হতে পারতো। পথে জন্ম হয় হয়েছে বলেই তাদের পথশিশু বলে ডাকা হয়। শুধুমাত্র পথে জন্ম হওয়ার কারণে কি কোন জনগোষ্ঠী অবহেলার শিকার হতে পারে? না, ন্যায্যতার কথা হচ্ছে আমরা সবাই মানুষ। আর মানুষ বলেই তারা আমাদের ভালবাসা ও আদর, স্নেহ প্রাপ্য।
হয়তো আমাদের একটুখানি ভালবাসায় মায়াকাড়া মলিন মুখগুলোতে হাসি ফুটে উঠতে পারে। আর সেজন্যই আমরা সবাই মিলে আদর, স্নেহ আর ভালবাসায় একসাথে বিজয় উদযাপন করেছি।
মৌলিক অধিকারগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে যদি পথের ফুলগুলোকে সহযোগিতা করতে পারি তবেই হয়তো বিজয়ের পথে আরো একধাপ এগিয়ে যেতে পারবো।
বিজয় দিবসে চলুন আমরা একসাথে অঙ্গীকার করি, পথ শিশুদের মধ্যে আদর, স্নেহ আর ভালবাসা ছড়িয়ে দিয়ে তাদের মানবিকবৃত্তির প্রসার করে এগিয়ে যাবো একটি সুখী, শোষনহীন, সমৃদ্ধিশালী ও সহনশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে। ও আচ্ছা আমাদের এই যাত্রায় থাকছেন তো?!
লেখা : মুন্নী & শামীম

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস। ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ তাতে বিজয় সুনিশ্চিত।

IMG_7346

মৌলিক অধিকার বঞ্চিত মানুষের জীবনে প্রতিটি দিনই একেকটি যুদ্ধক্ষেত্র। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অনিরাপদ অস্থায়ী আবাস, মাদক, রোগব্যাধি , অশিক্ষা, কুসংস্কারের সাথে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা প্রতিটি দিন। যে কোন যুদ্ধের মতই এই লড়াইয়ের সবচেয়ে বড় শিকার, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় শিশুরা।

ঢাকা শহরের অধিকার বঞ্চিত শিশুদের পাশে আমরা আছি গত আট বছর ধরে। ন্যায়ের পক্ষে এই যুদ্ধে আপনিও অংশ নিতে পারেন। পথশিশুদের জীবনে বিজয় এনে দিতে কাজ করতে পারেন আপনার সাধ্যমত। পথ আমাদের বন্ধুর, কখনও ক্লান্তিকর, কখনওবা হতাশারকিন্তু বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এমন একদিন আসবে যেদিন কোন শিশুকেই আর রাস্তায় থাকতে হবে না। প্রতিটি শিশু তার ন্যায্য অধিকার নিয়ে সুস্থ জীবনের পথে বিকশিত হবে।

পথশিশু সেবা সংগঠন পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।